সতর্কীকরণ! কেস রেফারেন্স ওয়েবসাইটে প্রকাশিত অধিকাংশ নজীর বিভিন্ন বই ও ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। এই সকল নজীর এর সঠিকতার বিষয়ে কেস রেফারেন্স ওয়েবসাইট কোন নিশ্চয়তা প্রদান করে না। কেস রেফারেন্স ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নজীর এর উপর নির্ভর এর আগে সংশ্লিষ্ট নজীরটির রেফারেন্স মিলিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।
Trap সাক্ষী-আদালত অসমর্থিত Trap সাক্ষীর সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করতে পারে যদি আদালত উক্ত জবানবন্দির সত্যতা বিষয়ে সন্তুষ্ট হন। [প্রকাশ চান্দ বনাম রাষ্ট্র, এ আই আর ১৯৭৯ এসসি ৪০০]
Trap সাক্ষী- অভিযান সাক্ষীর সাক্ষ্য নির্ভরযোগ্য হলে এর উপর ভিত্তি করে দন্ড দেয়া যায়। [মহা সিং বনাম রাষ্ট্র, এ আই আর ১৯৭৬ এসসি ৪৪৯]
Trap সাক্ষী-বিশ্বাসযোগ্যতা-এলাহাবাদ হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, ইহা প্রায়শই দাবি করা হয় যে Trap সাক্ষীর উপর নির্ভর করা উচিত নয় কারণ তারা আসামীর বিচারের সাফল্যে আগ্রহী। সুপ্রিম কোর্ট এবং অন্যান্য কোর্টের বিভিন্ন মামলায় এই যুক্তির উত্তর পাওয়া যায়। এমন কোন নিয়ম নেই যে এরকম অফিসারের সাক্ষ্যকে দুষ্কর্মে সহায়তাকারীর সাক্ষ্যের মত একই ভাবে বিবেচনা করতে হবে এবং সমর্থনের উপর জোর দিতে হবে। [সুরেন্দ্র পাল সিং বনাম রাষ্ট্র, ১৯৮১ অল ক্রিআর ৩৫৩]
Trap সাক্ষী- সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, একজন ঞৎধঢ় সাক্ষীকে সম্ভবত ফাদের সফলতার প্রতি আগ্রহী ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে। এরূপ সাক্ষীর সাক্ষ্যকে আদালত আগ্রহী সাক্ষীর সাক্ষ্যের মত বিবেচনা করতে পারে। আদালত একজন Trap সাক্ষীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের উপর নির্ভর করতে অস্বীকার করতে পারেন। অপরদিকে আদালত যদি মামলার ঘটনার পারিপার্শিকতা বিবেচনায় এনে মনে করেন যে এরূপ অসমর্থিত সাক্ষীর সাক্ষ্য সত্য তাহলে উক্তরূপ সাক্ষীর উপর আদালত নির্ভর করতে পারেন। [প্রকাশ চান্দ বনাম রাষ্ট্র, এ আই আর ১৯৭৯ এসসি ৪০০]
Trap সাক্ষী- সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, এটা অবশ্যই স্বরণ রাখতে হবে যে, উভয় সাক্ষীই আগ্রহী এবং পক্ষপাতদুষ্ট সাক্ষী। তারা ফাদের সফলতার সাথে সংশ্লিষ্ট এবং তাদের সাক্ষ্য অন্যান্য আগ্রহী সাক্ষীর সাক্ষ্যের মতই বিবেচনা করতে হবে এবং যথাযথ মামলায় আদালত আসামীকে দন্ড দেয়ার পূর্বে স্বতন্ত্র সমর্থন খুজতে পারেন। [রাম প্রকাশ বনাম স্টেট অব পাঞ্জাব, এআইআর ১৯৭৩ এসসি ৪৯৮; ১৯৭২ ক্রি এলজে ১২৯৩]