Unsophisticated আদিবাসী মহিলা সাক্ষী-সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, আপীলকারীপক্ষের বিজ্ঞ কৌশলি বাদীপক্ষের ১নং সাক্ষীর সাক্ষ্যে কিছু বৈসাদৃশ্যতা দেখিয়েছেন। আমাদের মতে নির্দেশিত বৈসাদৃশ্যতা ছোটখাটো এবং নামেমাত্র। এটা মনে রাখা দরকার যে ১নং সাক্ষী একজন Unsophisticated আদিবাসী মহিলা সাক্ষী। হাইকোর্ট তার সাক্ষ্য গ্রহণ করে সঠিক কাজ করেছেন। হাইকোর্টের সাথে ভিন্নমত পোষণ করার মত আমরা কোন বৈধ যুক্তি খুজে পাই না। [বেটি পাদিয়া বনাম স্টেট অব উরিষ্যা, এ আই আর ১৯৮১ এসসি ১১৬৩]
সামান্য বৈষম্য-প্রভাব-সুপ্রীম কোর্টের সামনে যুক্তি দেখানো হয় যে, চাক্ষুস সাক্ষীর সাক্ষ্য বৈষম্যই ভরপুর এবং প্রকৃতপক্ষে সময়ে সময়ে বাদীপক্ষ কর্তৃক ৩টি ভিন্ন ভিন্ন বর্ণনা রাখা হয়েছে। সুপ্রীম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করেছেন যে বিষয়টি বিচারিক আদালত এবং হাইকোর্টের নজরে ছিলো এবং আমরা তাদের সাথে একমত যে বৈষম্য তুলনামূলকভাবে সামান্য প্রকৃতির এবং এগুলোকে অযথা গুরুত্ব দেওয়ার দরকার নেই। [জগদিশ বনাম স্টেট অব এম.পি., এআইআর ১৯৮১ এসসি ১০৬৭]
সাক্ষ্যে সামান্য বৈষম্য-সামান্য বৈষম্য বক্তব্যকে অনির্ভরযোগ্য করার তুলনায় বরং সত্যকে নির্দেশ করে। ছোটখাটো বৈষম্য মিথ্যার কোন ইঙ্গিত নয়। [স্টেট অব আসাম বনাম কৃষ্ণ রাও, এআইআর ১৯৭৩ এসসি ২৮; ১৯৭৩ ক্রি এলজে ১৬৯; ১৯৭৩ ক্রি এলআর ৩০৪; ১৯৭৩ এসসিসি (ক্রি) ২২২]
অসঙ্গতি এবং বৈষম্য-যখন মারাত্মক-এটা সন্দেহাতীতভাবে সত্য যে বাদীপক্ষের সাক্ষ্যে অসঙ্গতি এবং বৈষম্য বিদ্যমান কিন্তু এটা এমন একটি ত্রুটি যা থেকে কোন ফৌজদারী মামলাই এটা থেকে মুক্ত নয়। কিন্তু দেখার বিষয় হলো যে অসঙ্গতিগুলো বিষয়টির গভীরে প্রবেশ করে কিনা বা এটার তুচ্ছ বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত কিনা। এরূপ অসঙ্গতি বিষয়টির গভীরে প্রবেশ করলে আসামীপক্ষ সুবিধা পেতে পারেন কিন্তু তুচ্ছ বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত হলে আসামীপক্ষ এরূপ সুযোগ পাবেন না। [কৃষ্ণ পিল্লাই বনাম স্টেট অব কেরালা, এআইআর ১৯৮১ এসসি ১২৩৭]
স্বাভাবিক এবং গুরুত্বপূর্ণ বৈষম্য এর সংজ্ঞা-স্বাভাবিক বৈষম্যগুলি হলো পর্যবেক্ষণের স্বাভাবিক ভুল, সময়ের ব্যবধানে স্মৃতির স্বাভাবিক ভুল, মানসিক প্রবণতা যেমন ঘটনার সময়ের ভীতি এবং মানসিক আঘাত ইত্যাদি। গুরুত্বপূর্ণ বৈষম্য হলো এমন বৈষম্য যেগুলি স্বাভাবিক নয় এবং একজন স্বাভাবিক ব্যক্তির নিকট থেকে যেটি প্রত্যাশা করা যায় না। [ স্টেট অব রাজস্থান বনাম কালকি, এআইআর ১৯৮১ এসসি ১৩৯০]
সাক্ষ্যের মূল্যায়ন- যদি সময় সম্পর্কে সাক্ষীদের বক্তব্যে গুরুত্বপূর্ণ বা বড় ধরণের বৈষম্য থাকে এবং অন্যান্য অবস্থা দ্বারা প্রমাণিত হয়, তাহলে ঘটনার সময় সন্দেহজনক হয় এবং আদালত বাদীপক্ষের মামলা অস্বীকার করতে পারে। [রাষ্ট্র বনাম আব্দুস সাত্তার ৪৩ ডিএলআর (এডি) ৪৪]
যেখানে সাক্ষী প্রকৃতপক্ষে তার পূর্বের বক্তব্যের উৎকর্ষ সাধন করে-সাক্ষী প্রকৃতপক্ষে আপীলকারীকে জড়িত করার জন্য তার পূর্বের বক্তব্যের উৎকর্ষ সাধন করেছে। সিদ্ধান্ত হয় যে, সাক্ষীর সাক্ষ্য সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা উচিত ছিলো। [রানধির সিং বনাম রাষ্ট্র, ১৯৮০ ক্রি এলজে ১৩৯৭ ডেল (ডিবি)]